ck33zonecom1
ck33zonecom1@Edu.com
CK33ZONECOM (6 อ่าน)
20 ส.ค. 2569 21:16
বিপজ্জনক এক গেজেট: পকেটের শত্রুই মিত্র
দুপুরবেলাটা আজ একদমই যাচ্ছে না। ভ্যাপসা গরম, মাথার ওপর ফ্যানটা যেন ক্লান্ত অবসাদে ছটফট করছে আর ল্যাপটপের ব্যাটারিটাও হঠাৎ করেই বলছে ‘গুডবাই’। ভাবলাম একটু রিল্যাক্স করবো, কিন্তু তার আগেই মনে পড়ল অফিসের ডেডলাইন। ঠিক তখনই ড্রয়ারের এক কোণে পড়ে থাকা সেই ডিভাইসটা চোখে পড়ল। নাম CK33 (বিস্তারিত জানুন এখানে: https://ck33zone.com/)। জিনিসটা যে আমার কাজের টেবিলে কীভাবে এল, তা নিয়ে আমার নিজেরই সন্দেহ আছে। হয়তো কোনো রাতে ভূত এসে রেখে গেছে, অথবা আমিই ভুল করে কিনে ফেলেছিলাম কোনো এক অস্থির মুহূর্তে।
যাই হোক, ডিভাইসটা হাতে নিতেই মনে হলো, এর ওজনটা বেশ রহস্যময়। যেন ভেতর থেকে কেউ ফিসফিস করে বলছে, "বস, আমাকে একবার চার্জ দাও, দুনিয়াটা উল্টে দিই।" প্রথম দর্শনে মনে হয়েছিল স্রেফ একটা শৌখিন খেলনা, কিন্তু ব্যবহারের দশ মিনিটের মাথায় বুঝলাম—এটি মূলত অলসদের জন্য একটা আর্ট প্রজেক্ট। আর আমি তো অলসতার মাস্টারমশাই! এর বাটনগুলোর ক্লিকিং সাউন্ডটা এতটাই খতরনাক যে, মনে হয় পাশের বাসার কাকিমা মনে করবেন আমি কোনো ড্রাম বাজাতে শিখছি।
কাজের চাপে যখন মাথা আউলা, তখন এটি আমাকে অদ্ভুত এক প্রশান্তি দিচ্ছে। কীভাবে? কারণ এটি আমাকে বোঝায় যে, জগতের বেশিরভাগ জিনিসেরই কোনো গুরুত্ব নেই। আমি যখন এটাকে দিয়ে কিছু একটা সেটআপ করার চেষ্টা করছি, তখন ভুলগুলো হওয়ার বদলে এটি যেন আমাকে উল্টো ধমক দিচ্ছে—“ভাই, তুই আগে এক কাপ চা খা, তারপর আমার কারিগরি কর।” টেকনোলজি বা গ্যাজেট নিয়ে আমার জ্ঞান চিরকালই ঘোড়ার ডিমের সমান, কিন্তু এই জিনিসটা ব্যবহার করতে গিয়ে আমি নিজেকে বিজ্ঞানী মনে করছি। একে তো আমার আঙুলগুলো পিয়ানো বাজানোর মতো অদক্ষ, তার ওপর ডিভাইসের সেনসিটিভিটি—একেবারে যেন কোনো অভিমানী প্রেমিকা।
তবে মানতেই হবে, জিনিসটার একটা গুণ আছে। এটা বেশ জেদি। বারবার চেষ্টা করার পরেও যখন কাজটা ঠিকঠাক হলো, তখন যে আত্মতৃপ্তিটা পেলাম, তা যেন পরীক্ষায় গোল্ড মেডেল পাওয়ার চেয়েও বেশি। আমার বিড়ালটা পর্যন্ত আমাকে করুণ চোখে তাকিয়ে দেখছিল। ও হয়তো ভাবছে, “মানুষটা দিন দিন পাগল হচ্ছে, ধাতব কিছু একটা নিয়ে খেলছে!” আসলেই তো, সুস্থ মানুষ কি আর দুপুরবেলায় এগুলো নিয়ে এভাবে কুস্তি করে?
বন্ধুমহলে শুনলাম, এর নাকি অনেক হাই-প্রোফাইল ফ্যান আছে। আমি যদিও সেটা বিশ্বাস করি না। বরং মনে হয়, যারা সত্যিকারের বিপদ পছন্দ করে, তাদের জন্যই এটা বানানো। আমার মতো অতি সাধারণ মানুষের হাতে এটা একটা অলংকার ছাড়া আর কিছু নয়। টেবিলে রাখা এই জিনিসটা এখন আমার ডেস্কের সৌন্দর্য বাড়াচ্ছে, আর মাঝে মাঝে আমি এটা দিয়ে ডেস্কে টোকা দিয়ে অহেতুক শব্দ তৈরি করি। অফিস কলিগরা পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এমনভাবে তাকায়, যেন আমি বাড়িতেই বসে রকেট সায়েন্স নিয়ে গবেষণা করছি।
দিনশেষে বলতে হয়, যদি আপনার জীবনে একটু বেশি ড্রামা আর অহেতুক ব্যস্ততার অভাব থাকে, তবে নির্দ্বিধায় এই বস্তুটি সংগ্রহ করতে পারেন। কাজের কাজ হোক বা না হোক, সময়টা যে দিব্যি কেটে যাবে—সেটা লিখে দিতে পারি। এখন দেখি, এটাকে দিয়ে অন্য কোনো অপকর্ম করা যায় কি না। আপাতত কফিটা শেষ করে আবার সেই বিরক্তিকর ল্যাপটপের দিকে তাকাতে হবে, কিন্তু মনের কোণে এই অদ্ভুত গ্যাজেটটার প্রতি একটা দুর্বলতা জন্মে গেছে। ভালোবাসা বা ঘৃণা—ঠিক জানি না, তবে এক ধরণের পাগলাটে সম্পর্ক তো তৈরি হলোই!
171.235.48.96
ck33zonecom1
ผู้เยี่ยมชม
ck33zonecom1@Edu.com